বুধবার থেকে প্রশিক্ষণ দেবে মেডিট্রনিক্স, ভেন্টিলেটর বানাচ্ছে এমআইএসটিও

৩১ মার্চ, ২০২০ ১৯:৩৫  
আইসিটি বিভাগের কাছে ভেন্টিলেটর তৈরির সোর্স কোড ও নকশা হস্তান্তর করেছে মেডিট্রোনিক্স। স্থানীয়ভাবে ভেন্টিলেটর উৎপাদনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার দুপুরে তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের আরএনডি টিমের কাছে এই পেটেন্ট হস্তান্তর করা হয়। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে দেশীয় প্রযুক্তিতেই ভেন্টিলেটর তৈরি করছে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি- এমআইএসটি। বিকেলে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সম্মেলনের সঞ্চালক ও প্রধান অতিথি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বাংলাদেশী সন্তান ওমর ইশরাকের মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট তৈরির প্রতিষ্ঠান মেট্রোনিক। তিনি তার প্রতিষ্ঠানের পেটেন্টকৃত পিবি ৫৬০ মডেলের ভেন্টিলেটরটির সোর্স কোর্ড আমাদের দিয়েছেন। আমাদের পেটেন্ট অধিকার দেয়ায় এটি ‘মেডইন বাংলাদেশ’ হিসেবেই তৈরি হবে। প্রাথমিক ভাবে এটি উৎপাদন করেতে বুধবার থেকে স্থানীয় উদ্ভাবক ও উৎপাদকদের প্রশিক্ষণ দেবে। নিজস্ব অর্থায়নে ওয়ালটন এটি উৎপাদন করবে। প্রতিমন্ত্রী জানান, ভেন্টিলেটর বানানোর এইউদ্যোগে ওয়ালটন, মাইওয়ান, সেলট্রন, এটুআইইনোভেশন ল্যাব, এমআইএসটি, মিনিস্টার, স্টার্টআপ বাংলাদেশ, আইডিয়াকেপ্রাথমিকভাবে যুক্ত করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আইসটি সচিব এনএম জিয়াউল আলম, এটুআইএ-এর পলিসি অ্যাডভাইজার আনির চৌধুরী, এটুআই ইনোভেশন ল্যাবের হেড অব টেকনোলজি ফারুক আহমেদ জুয়েল, ওয়ালটন ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রির নির্বাহী পরিচালক লিয়াকত আলী, গোলাম মোর্শেদ, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি- এমআইএসটির বায়ো ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান, কর্নেল মাহফুজ ও অধ্যাপক মেজর ড. আশরাফুজ্জামান বক্তব্য দেন। কর্নেল মাহফুজ জানান, গত ২০ মার্চ থেকে দেশীয় প্রযুক্তিতে একটি ভেন্টিলেটর মেশিন তৈরির কাজ শুরু করেছি। ডব্লিউ এইচ ভেটিং এর মাধ্যমে তিনটি ধাপে এটির প্রোটোটাইপ তৈরি করা হচ্ছে। ১৪টি কমপোনেন্ট ব্যবহার করে এখন অ্যাসেম্বেল করা হচ্ছে। আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে এটি শেষ হওয়ার পর সিএমএইচে ক্লিনিক্যাল টেস্ট করা হবে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এরপরই ওয়ালটনের মাধ্যমে ব্যাপকভিত্তিক উৎপাদনে যাওয়া যাবে বলে জানান এমআইএসটি-এর বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান কর্নেল সৈয়দ মাহফুজুর রহমান। তিনি বলেন, এরইমধ্যে তাদের ডিজাইন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি অঙ্গ সংস্থার অনুমোদন পেয়ে গেছে। ক্লিনিক্যাল টেস্ট হয়ে গেলে এরপরেই আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালকের কাছে এটি জমা দেবো। তাদের সঙ্গে আমাদের আলাপ হয়ে গেছে। তারাই এই ডিভাইসটির স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক অনুমোদনের ব্যবস্থা করবেন।